বাসে চাপলে বমি হয় ? গাড়ি করে কোথাও গেলে গা গুলোয় ? তাহলে আজই জেনে নিন এর প্রতিকার…

রায়গঞ্জ সংবাদ: যাত্রা করার সময় যদি বমি হলে পুরো যাত্রার মজাটাই মাটি হয়ে যায়। অনেক মানুষ আছেন যারা বাস বা গাড়ীর ভেতরে প্রবেশ করলেই তাদের খুবই কষ্ট হতে থাকে এবং কিছুক্ষণ পরই গাড়ি বা বাস চলার সময় তাদের বমি হয়।
যাত্রা করার সময় গাগুলানো বা বমি হওয়া কে “মোশান সিকনেস” বলে। শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে দুর্বল হওয়ার এটি একটি বড় কারণ। যাত্রা করা সময় আমাদের চোখের সামনে দৃশ্যগুলো যখন বদলাতে থাকে তখনই আমাদের মনে ভুল ধারণা জন্মায় এবং তার সাথে ভয়ও। আর এর কারণেই গা গুলোয় এবং বমি হয়।
এখানে কিছু উপায় বলা হচ্ছে যেগুলো ব্যবহার করলে এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
প্রথমের দিকে শিটে বসুন – 
যদি সম্ভব হয়, সামনের সিটে বসুন। এইরকম করলে আপনার বমি পাবে না।
টাটকা হাওয়া – 
যাত্রা করার সময় যদি আপনি টাটকা হওয়া না পান তাহলে আপনার গা গুলোবে। তাই জানালার ধারের সিটে বসুন এবং জানলা খুলে রাখুন। যাতে টাটকা হওয়া ভেতরে আসতে পারে এবং সেটা আপনি অনুভব করতে পারেন।
খুব বেশি খাবার খাবেন না – 
যাত্রা করার সময় যদি আপনি অনেক বেশি ভোজন করে থাকেন তাহলে আপনার গা গুলোতে পারে এবং বমি হতে পারে। তাই একদম খালি পেটেও না এবং অতিরিক্ত পরিমাণে ভরা পেটও না, এমন অবস্থাতেই যাত্রা করুন।
মৌরি ব্যবহার করুন – 
যাত্রা করার সময় আপনার গালে সব সময় একটু মৌরি রেখে দিন। তাতে গা গুলোনো কমবে।
পুদিনা পাতা – 
তাজা পুদিনা পাতা চিবালেও গা গুলোনো এবং বমি থেকে বাঁচা যায়।
আদার ব্যবহার – 
আদার রস খেলেও বমি থেকে বাচা যায়। এক চামচ আদার রস এবং এক চামচ লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে আপনি যদি খান তাহলে গা গুলোনো এবং বমি থেকে আপনি বাঁচতে পারেন।
লবঙ্গের ব্যবহার – 
লবঙ্গ একটি খুব ভালো জিনিস বমি থেকে বাঁচার জন্য। যাত্রা করার সময় যদি আপনি একটি লবঙ্গ মুখের মধ্যে রাখেন এবং সেটি যদি চোষেন তাহলে আপনি গা গুলানো এবং বমি থেকে বাঁচতে পারেন।
ওষুধের ব্যবহার – 
Motion Sickness মানে যাত্রা করার সময় যদি আপনার গা গুলোনো বা বমির মতন সমস্যা থাকে তাহলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে কোন ওষুধ আপনি সেবন করতে পারেন।
আমাদের দেওয়া এই ছোট ছোট টিপস গুলো ব্যবহার করলে নিশ্চয়ই আপনার সাহায্য হবে।

No comments

Powered by Blogger.