পাকাপোক্ত করা হচ্ছে কালিয়াগঞ্জের একমাত্র পুরো বাজার

সুচন্দন কর্মকার, কালিয়াগঞ্জ :- কালিয়াগঞ্জের তৃণমূলী পুর প্রধান কার্ত্তিক পালের আবেদনে সাড়া দিয়ে শহরের একমাত্র পুর বাজারের পরিকাঠামো উন্নয়নে এগিয়ে এলো রাজ্য কৃষি বিপণন দপ্তর। ১৪ কোটি টাকা ব্যায়ে শহরের একমাত্র পুর বাজারকে পাকাপোক্ত করে দিচ্ছে কৃষি বিপণন দপ্তর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুনজরে থাকা কালিয়াগঞ্জের পুর প্রধানের আবেদন মেনে পুর বাজারের পরিকাঠামো উন্নয়নে এগিয়ে আসা কৃষি বিপণন দপ্তরের অর্থে গড়া হবে পাকা বাজার। রবিবার সকালে এই কাজের জন্য জমির মাপজোঁক করলো কৃষি বিপণন দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার। এদিন সকাল ১১ নাগাদ কালিয়াগঞ্জের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত পৌর বাজার যা পরিচিত তারা বাজার নামে। সেই বাজারের এই মাপজোঁক হয়। এদিন মাপজোক পর্বে ছিলেন কালিয়াগঞ্জের পুর প্রধান কার্ত্তিক পাল, পুর কর্মী চন্দন ঘোষ, বাজারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী স্বপন ব্রহ্ম প্রমুখ। অন্য দিকে রাজ্য কৃষি বিপণন দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার সোমনাথ নন্দী ও তার সহকারি ছিলেন। মাপজোঁক প্রক্রিয়া শেষে পুর প্রধান জানান শহরের একমাএ পুর বাজারের পরিকাঠামো উন্নয়নে লিখিত প্রস্তাব দিয়ে ছিলাম কৃষি বিপণন মন্ত্রীর কাছে। সেই আবেদনে সম্মতি দিয়েছিল বিভাগীয় মন্ত্রী তপন দাসগুপ্ত। এই বাজার উন্নয়নে বরাদ্দ করা হয়েছে ১৪ কোটি টাকা। সেই অর্থে পাকা বাজার গড়তে এদিন কৃষি বিপণন দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এসে জমির মাপজোঁক করে গেলেন। পুরসভার জমিতে এই পাকা পরিকাঠামো গড়ে দেবে রাজ্য কৃষি বিপণন দপ্তর। এই দপ্তরের অধিনে এরাজ্যে প্রতি ব্লকে গড়ে উঠছে কিষান মান্ডি। এবারে কালিয়াগঞ্জ পুরসভা পাচ্ছে পাকা বাজার। পুর প্রধান জানান শহরের তারা বাজারের ৮০ শতাংশ এলাকা নিয়ে এই পাকা বাজার হবে। এই অংশে থাকবে সবজি, মাছ ও মাংসের সাথে মুদি সহ অন্য সমস্থ দোকান। বর্তমানে এই পুর বাজারে পাইকারি ও খুচরো দুই পর্যায়ের ব্যবসায়ী আছে। সকলেই ঠাই পাবে নুতুন এই পাকা বাজার। বৈধ কোনো দোকানী উচ্ছেদ হবেনা স্পষ্ট বার্তা পুর প্রধানের। নতুন করে ক্রয় করা এক বিঘা জমি সমেত এই পুর বাজারের প্রায় দুই একর জমি আছে। এর একাংশে আগেই পুর দপ্তরের অর্থে গড়া হচেছ মার্কেট কমপ্লেক্স। এই নির্মাণ কাজ চালু আছে। অপর অংশে বর্তমান মাছ ও সবজি বাজার এলাকায় হবে ১৪ কোটির এই পাকা বাজার।

No comments

Powered by Blogger.